অনলাইন লাইসেন্স আবেদন

     পাট অধিদপ্তর
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

অনলাইন লাইসেন্স আবেদন

পাট অধ্যাদেশ, ১৯৬২ এবং দি জুট (লাইসেন্সিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট) বিধিমালা, ১৯৬৪ এর আওতায় পাট ব্যবসায় পরিচালনার জন্য পাট অধিদপ্তর কর্তৃক ১৯ টি ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে। ক্যাটাগরিভিত্তিক লাইসেন্স প্রদানের জন্য পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এবং মাঠ পর্যায়ের সহকারী পরিচালক ও মুখ্য পরিদর্শকের কার্যালয় হতে এ সংক্রান্ত কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। সনাতন পদ্ধতিতে লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে একজন গ্রহীতার ক্ষেত্রে আবেদন দাখিল থেকে শুরু করে লাইসেন্স গ্রহণ করা পর্যন্ত প্রচুর সময় এবং যাতায়াতে অর্থের অপচয় হয়। এ সমস্যা সমাধানকল্পে পাট ব্যবসায়ের লাইসেন্স প্রদান আরও সহজ ও দ্রুততর, গ্রহীতার সময় ও অর্থের অপচয় রোধ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বা ‘ভিশন-২০২১’ এর বাস্তবায়নের লক্ষে পাট অধিদপ্তর কর্তৃক ‘‘অনলাইনের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রদান’’ সংক্রান্ত কার্য ক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সময়ের সাথে সম্মৃদ্ধ আগামীর পথে পা মিলিয়ে চলার বিকল্প নেই। পাট অধিদপ্তর নিজস্ব ওয়েবসাইট নিয়ে তথ্য প্রযুক্তিরসম্মৃদ্ধ সময়ের মিছিলে সামিল হল। সর্বস্তরের সম্মানিত সেবা গ্রহিতা এবং আমাদের এ ওয়েবসাইটের ভিজিটর প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। একই সাথে পাট অধিদপ্তরের সার্বিক কর্মকান্ড সম্পর্কে জনস্বার্থে পরামর্শ প্রদানের জন্য অনুরোধ জ্ঞাপন করছি। আশা করি সকলের সহযোগিতায় অতীতের মতো ‘সোনালী আঁশ’ খ্যাত পাটের ঐতিহ্য আবার আমরা অর্জন করতে সক্ষম হব। পাট খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন বৃদ্ধিসহ অর্থনীতিতে অধিকতর অবদান রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মির্জা আজম ১৬ই আগষ্ট, ২০১৬ তারিখে লাইসেন্সিং কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন ঘোষণা করেছেন। পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক (মিল), কাচাপাট ও পাটজাতপণ্য রপ্তানীকারক শ্রেণীর লাইসেন্স প্রত্যাশী ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করার জন্য অনুরোধ করা হলো